1. admin@sonalivor.net : Admin : Shaikh Iqbal Hossain
  2. m.amzadkhan@yahoo.com : M Amzad Khan : M Amzad Khan
বৃহস্পতিবার, ১৯ মে ২০২২, ০২:০৩ পূর্বাহ্ন
বৃহস্পতিবার, ১৯ মে ২০২২, ০২:০৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
গাজীপুরে গফরগাঁও কল্যাণ সমিতির ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত ‌কি ঘট‌তে যা‌চ্ছে ইমরান খা‌নের বিরু‌দ্ধে! গাজীপুরের ইউনাইটেড মডেল একাডেমীতে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত গাজীপুর মহানগর প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকে ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবসে সকল শহীদের প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১০২ তম জন্মবার্ষিকীতে গাজীপুর জেলা রিপোর্টার্স ক্লাবের আনন্দ র‌্যালী অনুষ্ঠিত গাজীপু‌রে এ‌বি পা‌র্টির ২৮ সদস‌্য বি‌শিষ্ট যৌথ ওয়া‌র্কিং ক‌মি‌টি গ‌ঠিত ফখরুল-অলির বৈঠক, আসতে পারে নতুন ঘোষণা গাজীপুরে বাংলাদেশ মানব কল্যাণ এসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে ২১ শে ফেব্রুয়ারি উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠিত রাষ্ট্রভাষাকে বাঁচাতে বাংলাভাষা উন্নয়ন বোর্ড অপরিহার্য : অধ্যাপক আবুল কাশেম ফজলুল হক প্রাথমিক বিদ্যালয় খুললেও বন্ধ থাকবে প্রাক-প্রাথমিক

বক্তব্যের সময় হট্টগোল, ক্ষুব্ধ ফখরুল ইসলাম

সোনালী ভোর ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : শনিবার, ৬ নভেম্বর, ২০২১
  • ৯৩ বার পঠিত

অনলাইন ডেস্ক : দলের স্থায়ী কমিটির প্রয়াত সদস্য তরিকুল ইসলামের স্মরণসভায় নেতাকর্মীদের হট্টগোলে ঠিকমতো বক্তব্যই দিতে পারলেন না বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। অনুষ্ঠানের শেষের দিকে সভাপতির বক্তব্য রাখার সময়ও হট্টগোল চলতে থাকায় ক্ষুব্ধ হয়ে পড়েন তিনি। এরপর তিনি বক্তব্য বন্ধ করে, নিজ আসনে বসে পড়েন।

অবশ্য পরে মঞ্চ থেকে বারবার অনুরোধে পরিস্থিতি শান্ত হলে বক্তব্য দেন মির্জা ফখরুল। এসময় তিনি নেতাকর্মীদের অনুষ্ঠানের তাৎপর্য অনুধাবনের অনুরোধ করেন। অন্যথায় অনুষ্ঠানে যোগ দিতেও বারণ করে দেন।

শনিবার ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটের নিচতলার মিলনায়তনে তরিকুল ইসলামের স্মরণ সভায় এ ঘটনা ঘটে। দলের ইনডোর অনুষ্ঠানের পরিবেশ শান্ত রাখতে সবসময়ই নেতাকর্মীদের স্লোগান দিতে বারণ করেন বিএনপির নীতিনির্ধারকরা। কিন্তু বারবার অনুরোধ করলেও কর্মীরা নেতাদের বারণ আমলে নেন না। এর আগেও একাধিকবার বিএনপি মহাসচিবসহ শীর্ষ নেতাদের কেউ কেউ ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

বিএনপি মহাসচিবের সভাপতিত্বে ও কেন্দ্রীয় নেতা আজিজুল বারী হেলাল, শামীমুর রহমান শামীম, আমিরুজ্জামান শিমুলের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, সেলিমা রহমান বক্তব্য দেন। অনুষ্ঠানে প্রয়াত তরিকুল ইসলামের ছোট ছেলে বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক অনিন্দ্য ইসলাম অমিতসহ যশোর-খুলনার নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

স্মরণসভায় হট্টগোল দেখে বিএনপি মহাসচিব বলেন, “সমস্যা হচ্ছে আমরা কেন এরকম সভায় আসি, সেটা বোধহয় আমরা নিজেরাও জানি না। এটা একটা স্মরণসভা। এমন একজন নেতা যিনি আমাদের অতীতে নেতৃত্ব দিয়েছেন, পথ দেখিয়েছেন। সারাটা জীবন সংগ্রাম করেছেন, লড়াই করেছেন। তার স্মরণসভায় এসে আমাদের এই সমস্ত সমস্যা সমাধান করতে হয়।”

বিএনপি মহাসচিব বলেন, “কীভাবে কথা বলবেন। দেখুন এখানে ইয়াং ছেলেরা আছে, তরুণরা আছে। হয় তারা ছাত্রদল, না হয় যুবদল, না হয় স্বেচ্ছাসেবক দল অথবা মহানগরের নতুন কমিটির ছেলেরা। তারা তো এখানে কথা শুনতেই আসেনি। অনেকে বহুবার বলেছেন এখানে। কিন্তু আমরা কেউ কর্ণপাত করছি না। আমাদের এই কান দিয়ে ঢুকে ওই কান দিয়ে বেরিয়ে যায়।”

ডানদিকে হট্টগোলকারীদের দিকে তাকিয়ে তিনি বলেন, “ওইখানকার সমস্যাটা কী? হোয়াট ইজ প্রবলেম দেয়ার। এভাবে আমি কথা বলব না।”

এই সময় অনুষ্ঠানের সঞ্চালক শামীমুর রহমান শামীম মাইকে এসে বলেন, ‘আপনারা চুপ করেন। কেউ কথা বলবেন না। প্লিজ মহাসচিব এখন বক্তব্য রাখবেন। সবাই বসে পড়েন। শান্ত হয়ে বসেন। আমাদের সংগ্রামী মহাসচিব স্যার কথা বলছেন।”

পরে নীরবতা নেমে আসে হল রুমজুড়ে। পরে আবারও বক্তব্য দেন বিএনপি মহাসচিব। তিনি বলেন, “আবারও বলছি আপনারা মিটিং শুনতে আসেন, উনাকে স্মরণ করতে চান তাহলে দয়া করে শান্ত হয়ে থাকেন। তা না হলে আমাদের এখানে থাকার দরকার নাই, কোনো প্রয়োজন নাই। আমি বলতে চাই, এভাবে কিছু হয় না। বিশেষ করে আমাদের তরুণ-যুবক, ছাত্র-যুব দল তাদের প্রতি আহ্বান জানাতে চাই- আসুন আপনারা নিজেরা কিছু জানুন এবং নিজেদের নিয়ন্ত্রণ করতে শিখুন। তা না হলে কোনো কিছু অর্জন করা সম্ভব হবে না।”

এদিকে অনুষ্ঠান শেষে নেতাকর্মীরা একসঙ্গে বের হতে গিয়ে ইনস্টিটিউটের মূল গেটের একটি গ্লাস ভেঙে যায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

© All rights reserved © Sonali Vor
Themes customize By Theme Park BD